যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে এক ব্যাবসায়ী জমি জোর পূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে যুবলীগ নেতা মশিয়ার রহমান’র বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী জমির প্রকৃত মালিক শহরতলীর রাজারহাট এলাকার হারুণ মিয়া একাধিকবার শালিস-বৈঠক করেও ক্রয়কৃত জমির দখল না পেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। এদিকে সরকার পতনের পর থেকে পলাতক রয়েছেন এই জমি ক্রয় বিক্রয়ে মধ্যেস্থাকারী কচুয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান।
ভুক্তভোগী জমির মালিক হারুণ মিয়া জানান, তিনি ২০২০ সালে কচুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা জমি ব্যবসায়ী মশিয়ার রহমানের কাছ থেকে ১৮ শতক জমি ক্রয় করেন। এর মধ্যে ৪ শতক জমি বিক্রি করেছেন। ক্রয়কৃত জমির দলিলও তার নিকট রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে হারুন মিয়া বলেন, দলীয় ক্ষমতা দেখিয়ে জমি দখল করে রাখে মশিয়ার। সেই সময় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কিন্তু জমি উদ্ধার হয়নি।
এদিকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে যুবলীগ নেতা জমি ব্যবসায়ী মশিয়ার রহমানসহ কিছু লোকজনের যোগসাজশে হারুণের জমি দখল করে দবির সরদার। বর্তমানে ওই জমি দবির সরদারের দখলে রয়েছে।
এলাকাবাসীসহ স্থানীয় গণমান্য ব্যাক্তিদের অভিযোগ, যুবলীগ নেতা মশিয়ার জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে প্রতারণা করে একাধিক স্থানে হারুণের মতো বিভিন্ন মানুষের নিকট থেকে জমি ক্রয়-বিক্রয় করে প্রতারণা করেছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মীদের দিয়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন জমি দখল করিয়েছেন মশিয়ার রহমান।
হারুণের জমি দখলের অভিযোগের ব্যাপারে দবির সরদার জানান, তিনি মশিয়ারের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছেন। যুবলীগ নেতা মশিয়ারকে তিনি জমি বাবদ ১১ লাখ টাকা দিয়েছি। বিনিময়ে তাকে একটি স্ট্যাম্প দেয় মশিয়ার; তবে কোন দলিল দেননি তিনি।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

