নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক (খুলনা বিভাগ) সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, “জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা বিতাড়িত হওয়ার পর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছে। তবে দিল্লি তার ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। আমাদের ভালো কিছু দিল্লি কখনো ভালো চোখে দেখেনি।”
মঙ্গলবার দৌলতপুর থানা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশ লাখো প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে দিল্লীর দাসত্ব করতে নয়। কিন্তু ভারত মোদি সরকারের মাধ্যমে হাসিনাকে পুতুল সরকার বানিয়ে এদেশের সম্পদ শোষণ করছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “ভারতীয় উগ্রবাদীরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানছে। তারা আগরতলায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনে হামলা ও পতাকা অবমাননার মতো কাজ করেছে।”
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, “ভারতের সাধারণ জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো শত্রুতা নেই। কিন্তু উগ্রবাদী বিজেপি সরকার যদি বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানায়, তবে দেশের প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিক স্বাধীনতা ও সম্মান রক্ষায় রুখে দাঁড়াবে।”
বিশেষ অতিথি আজিজুল বারী হেলাল বলেন, “৫ আগস্ট হাসিনা সরকার পালানোর পর থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে পারে একটি গণতান্ত্রিক সরকার।”
সম্মেলনে থানা বিএনপির আহ্বায়ক মুর্শিদ কামালের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ড, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. শফিকুল আলম মনা, সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে সভাপতি পদে মুর্শিদ কামাল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মতলুবুর রহমান মিতুল নির্বাচিত হন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ ইমাম হোসেন।

