নোয়াখালীতে সদ্যবিবাহিতা নববধূ ফাহিমা আক্তার পপির মৃত্যুর ঘটনাটি হৃদয়বিদারক এবং সামাজিক সমস্যার একটি মর্মান্তিক উদাহরণ। ঘটনাটি নববধূর সাবেক প্রেমিকের পাঠানো মেসেজ ও ভিডিওর মাধ্যমে তার বৈবাহিক জীবনে অশান্তির সূত্রপাত করে।
ফাহিমা আক্তার পপি (২২), নোয়াখালীর চরবাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা ও সৈকত সরকারি কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী : গত ১৮ নভেম্বর বিজিবি সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।: সাবেক প্রেমিক মহিন ইসলাম রিয়াদ, পপির স্বামী মাহমুদকে তাদের পূর্ব সম্পর্কের কিছু মেসেজ এবং ভিডিও পাঠায়। এতে পপির স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার চরিত্র নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে এবং তাকে অপমান করতে থাকে।অপবাদের চাপে গত ২০ নভেম্বর পপি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়। পপির চাচা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।
বিবাহিত জীবনে বিশ্বাস এবং সম্মানের অভাব, বিশেষত চরিত্র নিয়ে অপবাদ, একজন নারীর মানসিক স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ২. সাইবার : সাবেক প্রেমিকের এমন কার্যকলাপ সাইবার হ্যারাসমেন্ট এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অন্তর্ভুক্ত। এই ঘটনাটি সমাজে নারী অধিকার, সাইবার নিরাপত্তা এবং সম্পর্কের প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।
এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা যা সমগ্র সমাজের জন্য শিক্ষা এবং পরিবর্তনের সুযোগ হতে পারে।

