মৌখিকভাবে দুর্নীতির দায় স্বীকার করলেও তদন্ত আটকাতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ দিঘড়ী মাদ্রাসা সুপার

আরো পড়ুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের চৌগাছায় বহিষ্কৃত মাদ্রাসা সুপার শাহনাজ পারভীন তদন্ত রিপোর্ট পক্ষে নিতে বিভিন্ন পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক অব্যাহতি দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও দিঘড়ী মাদ্রাসা সুপার সুস্মিতা সাহা। পরবর্তীতে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম রফিকুজ্জামানসহ তিনজনের কমিটি গঠন করেন দুর্নীতি সততা যাচাইয়ের জন্য এবং সাত কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমাদানের জন্যও বলা হয়। সাত কর্ম দিবস পার হলেও এখনো তদন্ত রিপোর্ট পেশ করেনি তদন্ত কমিটি।

এদিকে বিগত দিনের মাদ্রাসা সভাপতি এস এম হাবিবুর রহমানের সাথে আঁতাত করে নিয়োগ বাণিজ্য ও ল্যাব কম্পিউটার বিক্রির কথা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম রফিকুজ্জামানের নিকট স্বীকার করেন এই মাদ্রাসা সুপার।

অভিযোগে সূত্রে, দিঘড়ী দাখিল মাদ্রাসার সুপার শাহানাজ পারভীনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারি নিয়োগ বাণিজ্য ৩১লাখ এবং ৮টি কম্পিউটারে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ করেন খোদ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অভিভাবকরা। সরকার থেকে ২০১৪ সালে ৮ টি কম্পিউটারসহ সম্পূর্ণ ল্যাব নিমার্ণের জন্য মালামাল আসে। কিন্তু ল্যাব নিমার্ণ না করেই মালামালসহ ৮টি কম্পিউটার বিক্রিয় করে দেন মাদ্রাসার সুপার। এদিকে ২০২২ সালে গোপনে তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পদে তিনজনকে নিয়োগ দেন। এ নিয়োগ থেকে ৩১ লাখ হাতিয়ে নেয়ার খবর জানাজানি হলে তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নমুলক কাজ করবেন বলে স্থানীয়দের জানান। কিন্তু এ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মাটি ভরাট করেন এবং বাকি টাকা আত্মাসৎ করেন বলে অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষকর্মকর্তা ও তদন্ত কমিটির প্রধান আবুল কালাম রফিকুজ্জামানের জানতে চাইলে তিনি বলেন, দ্রুতই আমরা তো তদন্ত রিপোর্ট জমা প্রদান করবো। মাদ্রাসা সুপার শাহনাজ পারভিন মৌখিকভাবে দায় স্বীকার করলেও লিখিতভাবে সে দুর্নীতির বিষয়ে জানতে চাইবো। তারপর তদন্ত রিপোর্ট জমা দিব।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ