সাবেক এমপি আফিল উদ্দিনের আশ্রয় প্রশ্রয়ের অভিযোগ শার্শার চারিদিকে আয়নাল বাহিনীর নির্মমতার ছাপ

আরো পড়ুন

শার্শা উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের আজিজুল হত্যার দায়ে ১৯৮১ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আয়নাল হক রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফিরে এসে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং সাবেক এমপি আফিল উদ্দিনের আস্থাভাজন হন। আফিল উদ্দিনের সমর্থনে আয়নাল হোসেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে শার্শা অঞ্চলে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি তার বাহিনী দিয়ে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের উপর নির্যাতন চালান।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আয়নাল হোসেন শার্শা থানায় হত্যা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে অন্তত ১৪টি মামলার আসামি। ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের প্রভাবে তিনি এসব মামলা থেকে রেহাই পান। স্থানীয়রা জানান, আয়নাল হোসেন কন্যাদহ গ্রামের নূর ইসলাম মেম্বারকে হত্যার পর তার বাড়ির গরু জবাই করে খেয়েছিলেন। এ ছাড়া আরও অনেক হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ছিলেন তিনি।

সম্প্রতি যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম মুকুলকে আয়নাল বাহিনীর লোকজন মারধর করলে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার পিতা আব্দুল আজিজকেও একই কায়দায় হত্যা করা হয়েছিল ২৫ বছর আগে। বিএনপি নেতা আবু হাসান জহির অভিযোগ করেন, আয়নালের বিরুদ্ধে এসব অপরাধের কোনো বিচার হয়নি আওয়ামী লীগের প্রভাবে। স্থানীয়রা আয়নাল ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ