স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের (২০২৪) এখন পর্যন্ত দেশে সাপের কামড়ের ঘটনা ঘটেছে ৬১০ বার। এর মধ্যে ৩৮ জন মারা গেছেন।
বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন রাসেলস ভাইপার নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএসে আসা তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত দেশে ৬১০ টি সাপের দংশনের তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। সাপের কামড়ে আক্রান্তদের মধ্যে মোট ১১ জন রোগী মারা যান।
রাজশাহীতে সবচেয়ে বেশি সাপে কাটা রোগী পাওয়া গেছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলতি বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সাপের দংশনে মোট ৪১৬ জন রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে ‘বিষধর’ ৭৩টি এবং ১৮টি চন্দ্রবোড়া সাপ ছিল। সাপের দংশনে আক্রান্তদের মধ্যে মোট ১১ জন রোগী মারা যান, এর মধ্যে চন্দ্রবোড়া সাপের দংশনের কারণে মারা যায় পাঁচজন। বাংলাদেশে সাপের দংশন নীতিগতভাবে একটি স্বীকৃত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৪ লাখের অধিক মানুষ সাপের দংশনের শিকার হয়। যার মধ্যে প্রায় সাড়ে সাত হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। দেশে সাপের বিষে অপর্যাপ্ত তথ্য থাকা সত্ত্বেও প্রধান ‘বিষধর’ সাপের মধ্যে গোখরা, ক্রেইট, চন্দ্রবোড়া (রাসেলস ভাইপার) ও সবুজ সাপ অন্যতম। কিছু কিছু সামুদ্রিক সাপের দংশনের তথ্য আছে।

