বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত ৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে।
বিবিএসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ডিসেম্বরে গ্রাম-শহর নির্বিশেষে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ১০ শতাংশের নিচে নেমেছে। গত মাসে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ। তার বিপরীতে শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ। অর্থাৎ শহরের তুলনায় গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশি।
অন্যদিকে, ডিসেম্বরে শহর-গ্রাম নির্বিশেষে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৫২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, ডিসেম্বরে শহর ও গ্রামে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি প্রায় সমান ছিল। এ মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি গ্রামে ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ ও শহরে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ হয়েছে।
মূল্যস্ফীতি কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কিছুটা বাড়বে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কিছুটা চাপ তৈরি হবে।
তারা আরও বলছেন, সরকারের উচিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
জাগো/আরএইচএম

