রাশিয়ার এই সমালোচনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া দুই পরাশক্তিই বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হলে তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
রাশিয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা কঠিন। তবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বিরোধীদলের সাথে দেখা করার ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনাটিকে রাশিয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
বাংলাদেশের সরকার এ ঘটনার ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে বিরোধীদল বলছে, তারা তাদের অধিকারের জন্য লড়াই করছে। তারা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাথে দেখা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে তিনি তাদের সমস্যাগুলো বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারেন।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনার পরবর্তী নাটক দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

