শ্যালক ও শশুর মিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে ঢুকিয়ে ভাটা লুটপাট করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে যশোর চৌগাছা উপজেলার তারনীবাস গ্রামের আলাউদ্দিন। গতকাল বুধবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আলাউদ্দিন বলেন, আমি একজন নির্যাতিত, নিষ্পেষিত, ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষ। আমার মালিকানাধীন এন.আর. ব্রিকস এর ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারের দায়িত্বে থাকা আমার শ্যালক নাসরুল্লাহ তার পিতা লুৎফর রহমান ও তার শশুর বদরুল আলম চৌধুরী এর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে ঢুকিয়ে ভাটা লুটপাট করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং ২ টি ট্রাক ও ২ টি মোটরসাইকেল নিয়ে ভাটা থেকে পালিয়ে যায়। এমনকি ভাটার যাবতীয় সরঞ্জাম ও কাগজপত্র সহ আলমারীটা পর্যন্ত উধাও করে দেয়। আমি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে ইট ভাটায় পৌঁছিয়ে দেখি যে, ইট ভাটা শূন্য অবস্থায় পড়ে আছে। এব্যাপারে গত ইং-১২/০২/২০২০ তারিখে মহেশপুর থানায় এই মর্মে একটি জিডি করি। যার জিডি নং-১৭। তারপর নাসরুল্লাহর নিজ গ্রামে একটি শালিশী বৈঠকের আয়োজন করি। সেখানে আমার দাবীকৃত দেড় কোটি টাকার স্থলে প্রথমত ৬০ লাখ টাকা আমাকে দেওয়ার জন্য রাজি হয়। কিন্তু তারা এপর্যন্ত কোন টাকা পয়সা না দিয়ে খুন জখম করার জন্য আমাকে বা পরিবারকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। টাকা চাইতে গেলে আমার শ্যালক ও শশুর মিলে অপহরণ মামলা দিয়ে দীর্ঘদিন জেল খাটিয়েছে । মামলাটি প্রত্যাহার করে নাই বরং ইটভাটাটি দখলে নিয়ে বাহার ব্রিকস-২ নামে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদা কোর্টে আবেদন করা হলে ব্রিকসের উপর নিষেধাজ্ঞা দিলেও তা তারা মানছে না।
কোন উপায় না পেয়ে আমি বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিলের কাছে আবেদন করিলে তারা ১৫ দিনের সময় চেয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার অঙ্গীকার করলেও তা আজ পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। এ বিষয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় আলাউদ্দিনের সাথে উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে কুতুবউদ্দিন।

