আন্ত:মহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দুই দিন পরই ফের নিজেদের পূর্ব উপকূলে স্বল্পপাল্লার দুইটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ এরই মধ্যে এক বিবৃতি দিয়েছে।
জাপানের রাডার সিসেমেও এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি ধরা পড়েছে। দেশটি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭ টায় এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে উত্তর কোরিয়া।
বিষয়টি অস্বীকার করেনি উত্তর কোরিয়াও। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, দুইটি প্রজেক্টাইল মাল্টিপল রকেট লাঞ্চারের মাধ্যমে নিক্ষেপ করা হয়েছে। সফল এ পরীক্ষায় ৩৯৫ কিলোমিটার ও ৩৩৭ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয় ক্ষেপণাস্ত্রগুলো।
কেসিএনএ আরো জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্বল্পপাল্লার হলেও এটি কৌশলগত পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম।
এধরনের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো পাশ্ববর্তি দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকে বড় উসকানি হিসেবে আখ্যায়িত করে এর কঠোর নিন্দা জানিয়েছে।
এর আগে জাপানের পশ্চিম উপকূলের বাইরের সাগরে শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল উত্তর কোরিয়া। জাপান জানায়, উৎক্ষেপণের এক ঘণ্টা পর ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের ভেতরের পানিতে আছড়ে পড়েছিল।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া সামরিক মহড়াকে সামনে রেখে দৃঢ় প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি জানিয়েছিল পিয়ংইয়ং। চলতি বছর এবারই প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। গত বছর দেশটি নজিরবিহীন-সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। সেগুলোর মধ্যে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও (আইসিবিএম) ছিল।
সূত্র: আল-জাজিরা


Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.
Your article helped me a lot, is there any more related content? Thanks!