যশোরের চাহিদার তুলনায় প্রাপ্তির হার অনেক কম

আরো পড়ুন

আর মাত্র ১০ দিন পর হবে বই উৎসব। অথচ যশোরে চাহিদার তুলনায় প্রাপ্তির হার অনেক কম। মাধ্যমিকে, দাখিল, এবতেদায়ী, এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনালে বইয়ের চাহিদা ৪১ লাখ ৪৯ হাজার ৯০২ পিস। এসে পৌঁছেছে ১৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬২৩ পিস বই। প্রাথমিক বইয়ের চাহিদা ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭৩ পিস। অথচ এসে পৌঁছেছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৩ পিস বই।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলছে, ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে বই প্রত্যেক বিদ্যালয়ে পৌঁছে যাবে। নতুন বছরের উৎসবে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানিয়েছে, চাহিদা ৪১ লাখ ৪৯ হাজার ৯০২ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ১৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬২৩ পিস বই। মাধমিকে ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৭৬ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৯ লাখ ৯১ হাজার ৮০৯ পিচ। প্রাপ্তির হার ৩৬ শতাংশ। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৮ লাখ ১৪ হাজার ২০৫ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৩ লাখ ১৬ হাজার। প্রাপ্তির হার ৩৯ শতাংশ। শার্শায় ৩ লাখ ২ হাজার ২০৭ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩২ পিস। প্রাপ্তির হার ৪১ শতাংশ। মণিরামপুরে ৩ লাখ ৯১ হাজার ৫৪৪ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৫ পিস। প্রাপ্তির হার ৪৭ শতাংশ। বাঘারপাড়ায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৬ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৫৩ হাজার ৭০৪ পিস। প্রাপ্তির হার ৩১ শতাংশ। ঝিকরগাছায় ২ লাখ ৮০ হাজার ২০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৯৫ হাজার ৫০ পিস। প্রাপ্তির হার ৩৪ শতাংশ। চৌগাছায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭০৯ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৬১ হাজার ২০৮ পিস। প্রাপ্তির হার ২৫ শতাংশ। কেশবপুরে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯৫ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৫৩ হাজার ৪১০ পিস। প্রাপ্তির হার ২৫ শতাংশ। অভয়নগরে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৪৭০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ১ লাখ ৪ হাজার ৬০ পিস। প্রাপ্তির হার ৩৩ শতাংশ।

দাখিলে বইয়ের চাহিদা ৮ লাখ ৩০ হাজার ৫৭৪ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৫১২ পিস।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪০ হাজার ৩০০ পিস। প্রাপ্তির হার ২৩ শতাংশ। শার্শায় ১ লাখ ৩ হাজার ৬৯২ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৩২ হাজার ৫০০ পিস। প্রাপ্তির হার ৩১ শতাংশ। মণিরামপুরে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯১৫ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪৭ হাজার ৮৫০ পিস । প্রাপ্তির হার ৩২ শতাংশ। বাঘারপাড়ায় ৭১ হাজার ৮৪০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ২২ হাজার ৬৩ পিস। প্রাপ্তির হার ৩১ শতাংশ। ঝিকরগাছায় ৭৮ হাজার ৮১০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ২৬ হাজার ৬৮০ পিস। প্রাপ্তির হার ৩৪ শতাংশ। চৌগাছায় ৬৭ হাজার ৬৭ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ১৭ হাজার ২৬৯ পিস। প্রাপ্তির হার ২৫ শতাংশ। কেশবপুরে ১ লাখ ১ হাজার ৭০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৩৪ হাজার ২০ পিস। প্রাপ্তির হার ২৫ শতাংশ। অভয়নগরে ৮৩ হাজার ৯০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪৪ হাজার ৮৩০ পিস। প্রাপ্তির হার ৫৩ শতাংশ।

এবতেদায়ীতে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৩৮০ পিস বইয়েল মধ্যে এসে পৌঁছেছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৬০০ পিস।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১ লাখ ৬০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৬৪ হাজার ৪০০ পিস। প্রাপ্তির হার ৬৪ শতাংশ। শার্শায় ৪৫ হাজার ২৬৪ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ২৯ হাজার ৬৩২ পিস। প্রাপ্তির হার ৬৫ শতাংশ। মণিরামপুরে ৯৯ হাজার ৪৭০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৬৩ হাজার ১৬০ পিস। প্রাপ্তির হার ৬৩ শতাংশ। বাঘারপাড়ায় ৪২ হাজার ৬০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ২৭ হাজার ২৪০ পিস। প্রাপ্তির হার ৬৫ শতাংশ। ঝিকরগাছায় ৩২ হাজার ৬৫০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ২২০০০ পিস। প্রাপ্তির হার ৬৭ শতাংশ। চৌগাছায় ২৫ হাজার ৮৩৬ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ১৪ হাজার ৯৬৮ পিস। প্রাপ্তির হার ৫৮ শতাংশ। কেশবপুরে ৬৪ হাজার ৫০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪০ হাজার ৮০০ পিস। প্রাপ্তির হার ৬৩ শতাংশ। অভয়নগরে ৫২ হাজার পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৩৪ হাজার ৪০০ পিস। প্রাপ্তির হার ৬৬ শতাংশ।

এসএসসি ভোকেশানলে ১ লাখ ২০ হাজার ১১৫ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪৩ হাজার ১৪ পিস। প্রাপ্তির হার ৩৬ শতাংশ।
এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২০ হাজার ৪১৫ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৫ হাজার। প্রাপ্তির হার ২৪ শতাংশ। শার্শায় ১০ হাজার ৫০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৫ হাজার ৮০০ পিস। প্রাপ্তির হার ৫৫ শতাংশ। মণিরামপুরে ১৮ হাজার ২০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ১ লাখ ৮০০০ হাজার পিস। প্রাপ্তির হার ৪৪ শতাংশ। বাঘারপাড়ায় ১২০০০ হাজার পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪ হাজার ৮০০ পিস। প্রাপ্তির হার ৪০ শতাংশ। ঝিকরগাছায় ১৫০০০ হাজার পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪ হাজার ৩০২ পিস। প্রাপ্তির হার ২৯ শতাংশ। চৌগাছায় ১৩ হাজার ২০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৬ হাজার ৬১২ পিস। প্রাপ্তির হার ৫০ শতাংশ। কেশবপুরে ১৫ হাজার ৬০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪ হাজার পিস। প্রাপ্তির হার ২৬ শতাংশ। অভয়নগরে ১৫ হাজার ২০০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪ হাজার ৫০০ পিস। প্রাপ্তির হার ৩০ শতাংশ। দাখিল ভোকেশনালে ৩০০ পিচ বইয়ের মধ্যে এসেছে ৬০ পিস। প্রাপ্তির হার ৩ শতাংশ।

প্রাথমিকে প্রাথমিকে ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১১০ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৩ পিস। এর মধ্যে সদর, মণিরামপুর বাঘারপাড়ায় কোনো বই আসেনি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা প্রাথমিত শিক্ষা অফিস। বাকি পাঁচ উপজেলায় অর্ধেকের বেশি বই এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে অভয়নগরে ১ লাখ ১১ হাজার ২৭৩ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪১ হাজার ১৮২ পিস। কেশবপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮০৫ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৪২ হাজার ৫৫ পিস। চৌগাছায় ১ লাখ ১০ হাজার ৫৯৮ পিস বইয়ের মধ্যে পৌঁছেছে এসে ৪০ হাজার ১১২ পিস। ঝিকরগাছায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৩ পিস বইয়ের এসে পৌঁছেছে ৫৪ হাজার ৩২৪ পিস। শার্শায় ১ লাখ ৮০ হাজার ৫১ পিস বইয়ের মধ্যে এসে পৌঁছেছে ৬৫ হাজার ৪৯০ পিস।

এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার একেএম গোলাম আযম জানান, বই আসতে শুরু করেছে। এ মাসের মধ্যে সব বই এসে পৌঁছাবে। নতুন বছরে উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে।

একই কথা জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস সালাম।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ