বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবেলা ও রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে ভারতের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
আজ রবিবার স্পিকারের সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় স্পিকার বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও আদর্শিক নেতৃত্বই দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত স্থাপন করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশি শরণার্থীদের আশ্রয় ও সব ধরনের সহযোগিতা দেয় ভারত, যা এ দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।
তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো সুসংহত হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি, ভারতের সাথে স্থল সীমান্ত চুক্তিসহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারতের পারস্পরিক সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্ককে জোরদার করেছে। ’
‘ভারত-বাংলাদেশের মানুষের ভাষা-সংস্কৃতিভিত্তিক সাদৃশ্য উল্লেখযোগ্য’ জানিয়ে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, নদী অববাহিকাসহ আরো অনেক সাধারণ বিষয় দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান। সেভেন সিস্টারস রাজ্যসমূহসহ সমগ্র ভারতের সাথে রেলওয়ে ও অন্যান্য মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের দ্বারা উভয় দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার অগ্রগতি সম্ভব।
সাক্ষাৎকালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করে হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ। দুই দেশের সাংস্কৃতিক ভীত একই। সংসদীয় প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হতে পারে। ’
এ সময় স্পিকার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলাসহ অন্যদের আমন্ত্রণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
জাগো/আরএইচএম

