বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে দেশের সড়ক, মহাসড়ক ও বাসাবাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও চলাচল নির্বিঘ্নে করতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সড়কে সিসি ক্যামেরা ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে জেনারেটরের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। রাজধানীসহ পুলিশের প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বিকালে পুলিশ সদর দফতরের একাধিক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাজধানীর সকল থানাকে বিভিন্ন অলিগলিতে টহল টিম বাড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সড়কে ছিনতাই প্রতিরোধে মোটরসাইকেলে টহল, সাদা পোশাকে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। বিদ্যুৎ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী মহাপরিদর্শক মনজুর রহমান বলেন, সবাই সতর্ক রয়েছেন। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন পুলিশের সকল ইউনিট তা করবে।
এদিকে সড়কে টহল বৃদ্ধি করছে র্যাব। দেশের সবগুলো ব্যাটালিয়ন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। র্যাবের মুখপাত্র খন্দকার আল মঈন বলেন, আমাদের সদস্যরা নাগরিকদের নিরাপত্তায় সবসময় তাদের পাশে আছে।
একদিকে পূজার নিরাপত্তা অন্যদিকে চলাচলের ক্ষেত্রে নগরবাসীর নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে বাড়তি চাপ পড়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর। নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত না হতে পরামর্শ দিয়েছে ডিএমপি।
মঙ্গলবার দুর্গাপূজা উদযাপনের নবমীর আনুষ্ঠানিকতা চলছে। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকার কারণে বিকাল থেকে অনেক পূজামণ্ডপে নেই ঢাক ঢোলের আওয়াজ। ভক্ত দর্শনার্থীরা পূজামণ্ডপের ভক্তির জন্য এলেও দ্রুত অবস্থান ত্যাগ করছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার ক্রাইম এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকার জন্য বলা হয়েছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা বিষয়ে নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে। কোরো পূজামণ্ডপ যেন বিদ্যুৎবিহীন না থাকে সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ডিএমপি গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন বলেন, নগরবাসীর চলাচলের বিষয়েও সড়কে পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

