স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে আহত হওয়া কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনি ও পুলিশ কনস্টেবল জিল্লুর রহমান। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানিয়েছেন, অক্সিজেন মাস্ক ছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন তারা এবং স্বাভাবিক খাবারও খেতে পারছেন, কথাও বলতে পারছেন। তবে দুজনকে কেবিনে স্থানান্তর করা হবে কিনা, এ সিদ্ধান্ত আগামী শনিবার নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
ডা. সামন্ত লাল বলেন, আজ সকালে দেখে এসেছি। তারা ভালো আছে। আগের থেকে অনেক উন্নতি করেছে। আমরা শনিবার আরেকটি ড্রেসিং খুলবো। তারপর সিদ্ধান্ত নেবো কেবিনে স্থানান্তর করার।
তিনি আরো বলেন, তার (আবু হেনা রনি) শ্বাসনালির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। সকালে দেখেছি ভালোই কথা বলতে পারছে।
এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলাকালে বেলুন বিস্ফোরণ হয়ে পাঁচজন দগ্ধ হয়। এ সময় দগ্ধ হন কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনি, গাজীপুর জেলা পুলিশের কনস্টেবল মোশাররফ হোসেন, গাছা থানার কনস্টেবল রুবেল মিয়া, টঙ্গী পূর্ব থানার কনস্টেবল জিল্লুর রহমান এবং গাছা থানার আরেক কনস্টেবল মো. ইমরান হোসেন। ঘটনার পরপরই দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আবু হেনা রনি ও কনস্টেবল জিল্লুর রহমানকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। রনির শরীরের ২৫-৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানান চিকিৎসক।
এ ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ক্রাইম উত্তর উপ-কমিশনারকে সভাপতি করে চার সদসের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।

