বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স আনার সরবরাহসীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকার বেশি মূল্যে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করা যাবে না। আর এর প্রভাব পড়েছে রেমিট্যান্সপ্রবাহে।
গত মাসের তুলনায় চলতি মাসের ১৫ দিনে রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমেছে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় দ্বিতীয় সপ্তাহে রেমিট্যান্স কম এসেছে ১১০ মিলিয়ন ডলার।
যে হারে রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমছে এটা অব্যাহত থাকলে আগের মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স কমে যেতে পারে। আর এটা হলে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা আরো বেড়ে যাবে- এমনটাই শঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে গত ১১ সেপ্টেম্বর ডলারের একক দর নির্ধারণ করে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীরা। আর অভিন্ন দর কার্যকর করতে গিয়ে সে অনুযায়ী ওই দিন থেকেই প্রবাসীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা দরে ডলার কেনা হচ্ছে। রফতানি আয় নগদায়ন করা হচ্ছে সর্বোচ্চ ৯৯ টাকা দরে। আর আমদানিতে একক দর নির্ধারণ করা হয় সর্বোচ্চ ১০৪ টাকা ৫০ পয়সা। ১১ সেপ্টেম্বর থেকে একক দর কার্যকর করতে রেমিট্যান্স ও রফতানি আয়ের ডলারের মূল্য ১০৮ টাকা ও ৯৯ পয়সায় নামিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু আমদানি পর্যায়ে একক দর অর্থাৎ ১০৪ টাকা ৫০ পয়সা এখনো কার্যকর করা হয়নি। গতকালও ব্যাংকভেদে আমদানিতে ডলার লেনদেন হয় সর্বোচ্চ ১০৯ টাকা দরে।
জাগো/আরএইচএম

