তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, নিজেরা নিজেরা মারামারি করা হলো বিএনপির আন্দোলনের নমুনা। সারা দেশে গন্ডগোল করার অপচেষ্টা চালানো। আর পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা।
রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপকমিটি আয়োজিত ‘টেকসই উন্নয়নে পরিবেশ সুরক্ষা’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরেই পরিবেশরক্ষার কাজে হাত দেন। ১৯৮২ সালে কৃষক লীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশে বনায়ন শুরু করেন। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ পরিবেশরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকার জন্য সারা বিশ্বে সুপরিচিত।
বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্বাধীন কমিশন। নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। আর সংবিধান অনুযায়ী ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যে সরকার দেশ পরিচালনা করছিল, সেই সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করে। আমাদের দেশেও তাই হবে। অন্য বায়না ধরে কোনো লাভ নেই।’
গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মৃত্যুর শোকবার্তায় হাছান মাহমুদ বলেন, আজীবন সংগীত ও কণ্ঠসাধনার যে অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি (গাজী মাজহারুল আনোয়ার) স্থাপন করেছেন, তা বিশ্বের সংগীত জগতে বিরল। অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননার চেয়েও মানুষের ভালোবাসা তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। তাঁর শিল্পীসত্তার মৃত্যু নেই।
মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে তাঁর শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান মন্ত্রী।
জাগো/আরএইচএম

