যশোরে সোনা চোরাচালান মামলায় রানা হামিদ নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দিয়েছে আদালত।
রবিবার সিনিয়র জেলা ও দায়রা ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক এই রায় দিয়েছেন।
দন্ডপ্রাপ্ত রানা হামিদ বেনাপোল পোর্ট থানার খলসি গ্রামের আব্দুল গফফারের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিপি এম ইদ্রিস আলী।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে ২০২১ সালের পহেলা এপ্রিল বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র ২১/সি কোম্পানি পুটখালীর সদস্যরা শার্শা উপজেলার পাঁচভুলট গ্রামের সীমান্তবর্তী টেরেখালীতে অবস্থান নেয়। ওইদিন সকাল ৭টার দিকে ইজিবাইকযোগে একজনকে আসতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়।
ইজিবাইক থামানোর জন্য সিগন্যাল দিলেই ওই ব্যক্তি ইজিবাইক থামিয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জ্ঞিাসাবাদে রানা হামিদ জানায় ইজিবাইকের বডির নিচে বিশেষ কায়দায় সোনার বার রয়েছে।
পরে ইজিবাইকের চেচিসের ঢালাই ভেঙ্গে ১৫ পিছ সোনার বার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন এক কেজি ৭৪৯ গ্রাম। মূল্য ৯২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
এঘটনায় বিজিবির নায়েক সুবেদার কামাল হোসেন খান বাদী হয়ে শার্শা থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের ৩০ জুন।
শার্শা থানার এসআই মেহেদী হাসান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি রানা হামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম করাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেয়া হয়।

