হুমায়ূন স্মৃতি জাদুঘর হবে নুহাশ পল্লীতে

আরো পড়ুন

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের চলে যাওয়ার ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে মঙ্গলবার (১৯ জুলাই)। এ দিনে তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন জানিয়েছেন খুব শিগগিরই হুমায়ূন স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা হবে।

মঙ্গলবার হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে তার নিজ হাতে সাজানো নুহাশ পল্লীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন শাওন।

তিনি বলেন, হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্ন ছিলো ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ করা, তবে সেটা একার পক্ষে সম্ভব না হলেও হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব। খুব শিগগিরই তা নূহাশ পল্লীতেই নির্মাণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, হুমায়ূন আহমেদের ব্যবহৃত জিনিসপত্রগুলো খুব সুন্দরভাবে সংগৃহীত আছে। তার হাতে আঁকা ছবিগুলো অনেকদিন ধরে নিউইয়র্কের এক ব্যক্তির কাছে আটকে ছিল। অতি সম্প্রতি সেই ছবিগুলো আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। আমরা ছবিগুলো হাতে পেয়েছি। এর মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের সন্তানদের কাছে, আমার কাছে যা কিছু ছবি আছে এগুলো হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি জাদুঘরে থাকবে। হুমায়ূন আহমেদের হাতের লেখা স্ক্রিপ্টগুলো যেগুলো বিভিন্ন প্রকাশকদের কাছে ছিল সেগুলো তারা জাদুঘরে দান করবে বলে আমাদের জানিয়েছেন। আশা করছি শিগগিরই এর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারবো।

সকালে পবিত্র কুরআন খতমের মাধ্যমে মৃত্যুবার্ষিকী পালনের সূচনা হয়। এরপর সকাল ১১টায় হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করেন স্ত্রী শাওন, তার দুই ছেলে নিশাত হুমায়ূন ও নিহিত হুমায়ূনসহ সকল ভক্তবৃন্দরা। পরে তারা লেখকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়ায় অংশ নেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে স্থানীয় দুইটি মাদরাসার এতিম ছাত্রদের নিয়ে কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়ারও আয়োজন করা হয়। শাওন ও তার দুই ছেলে এতিমদের প্লেটে খাবার তুলে দেন। সকালে মাদরাসার শিক্ষার্থী-শিক্ষকসহ উপস্থিত হুমায়ূন আহমেদের ভক্তদের জন্য খিচুরী, ডিম, মুরগীর ঝাল ফ্লাই এবং দুপুরে সাদা ভাত, গরু ও মুরগীর মাংসসহ বিভিন্ন খাবারের আয়োজন করা হয়।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ