এক কলেজ থেকেই বুয়েটে ১৬ শিক্ষার্থী

আরো পড়ুন

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা শহরের একটি সরকারি কলেজ থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী একই সঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থী একই সঙ্গে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি সুযোগ পেয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার বুয়েট ২০২১-২২ ইং শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

এতে দেখা যায়, সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থানসহ ১৬ শিক্ষার্থী বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছেলে ১৫ জন এবং মেয়ে একজন।

বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাওয়া ইমন ইসলামের সঙ্গে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে কথা হয় তিনি জানান, তার স্বপ্ন ছিল বুয়েটে পড়ার। কঠোর অধ্যবসায়ের বলে তার সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তিনি কলেজের হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করেছেন। ইমনের বাড়ি রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের কিসামত হরকলি গ্রামে। তার বাবা আলমগীর হোসেন পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি ২০১৯ সালে পাগলাপীর আদদীন একাডেমি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজে ভর্তি হন। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তবে ভর্তির সুযোগ মেলেনি। ইমন বললেন, তার বিশ্বাস, এইচএসসিতে দুই বছর ভালোভাবে পড়াশোনা করলে কাঙ্ক্ষিত স্থানে ভর্তির সুযোগ পাওয়া সম্ভব।

এ নিয়ে কথা হলে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম আহমেদ ফারুক বলেন, এটি সৈয়দপুর তথা এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রয়েছে সুশৃঙ্খল পরিবেশ, পাঠদানে শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং কঠোর তদারকি। ফলে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিবছর আশানুরূপ ফল করছে শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রাখছে তারা। মেডিক্যাল ও বুয়েটে ভর্তিতে এ বছরের সাফল্যে আমরা গর্বিত।

১৯৬৪ সালে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল সৈয়দপুর সরকারি কারিগরি স্কুল। পরে এটি ১৯৭৭ সালে কলেজে উন্নীত হয়। তখন সৈয়দপুর সরকারি কারিগরি বিজ্ঞান মহাবিদ্যালয় নাম রাখা হয়। ২০২০ সালে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ নতুন নামকরণ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, চলতি বছর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় (এইচএসসি) মোট ২৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৬৫ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২৪৯ জন।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ