বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা

আরো পড়ুন

ডেস্ক রিপোর্ট: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বিয়ের কথা বলে বাসায় ডেকে নিয়ে এক কিশোরীকে (১৫) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২১ জুন) রাতে দুইজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী কিশোরীর মা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়া এলাকার রোকেয়া অ্যাভিনিউ ভবনের নিচতলায় গণধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।

আসামিরা হলেন কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মিজানুর রহমান সাহাব উদ্দিনের ছেলে আবু দারদাহ ওরফে বাপ্পী (২৫) ও কবিরহাট পৌরসভা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বেপারী বাড়ির মো. সবুজের ছেলে হৃদয় (২৮)। এদের মধ্যে বাপ্পীর সঙ্গে মেয়েটির পরিচয় ছিল।

কিশোরীর মা ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি বাপ্পী বসুরহাট বাজারের মসজিদ মার্কেটে কাপড়ের ব্যবসা করেন। তার দোকানে কেনা-কাটা করার সুবাদে তার সঙ্গে ওই কিশোরীর সু-সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে কিশোরীর মোবাইল নম্বর নিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। পরে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি।

কিশোরী বিয়ের জন্য চাপ দিলে গত ১৬ জুন বাপ্পী তাকে বিয়ের কথা-বার্তা চূড়ান্ত করার জন্য তার ভাড়া বাসায় ডেকে নেন। কিশোরী ভাড়া বাসায় গেলে বাপ্পী ও তার বন্ধু হৃদয় একে অপরের সহায়তায় কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। শেষে এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গণধর্ষণের অভিযোগ এনে কিশোরীর মা এজাহার দাখিল করেছেন। আজ (বুধবার) সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাগো/এমআই

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ