পটুয়াখালীর গলাচিপার সংসদ সদস্য এসএম শাহাজাদা (পটুয়াখালী-৩) স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে চিপার মধ্যে রয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন।
রবিবার (৫ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে জীর্ণশীর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনর্নির্মাণের প্রস্তাবকালে উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রবিবার (৫ মে) একাদশ সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের এই এমপি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের কাছে সম্পূরক প্রশ্ন করেন।
প্রশ্ন করার সময় এস এম শাহজাদা বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার দুটি উপজেলা তার একটির নাম গলাচিপা। এই উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নামের সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা চিপার মধ্যেই পড়ে গেছি। এই উপজেলার একটি অংশ ছিল, যা রাঙাবালি উপজেলা। সেটা এখন পটুয়াখালী-৪ আসনের ভেতরে। ওখানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেই। আবার আমার গলাচিপাতে যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আছে। সেটাও বেশ আগের। এটা জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় আছে। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে একাধিক ভবন রয়েছে সেগুলো জীর্ণশীর্ণ হওয়ায় পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়েছে। এই উপজেলায় ৫ লাখ জনসংখ্যা। পার্শ্ববর্তী উপজেলায় (রাঙাবালি) আরও প্রায় আড়াই লাখ লোক রয়েছে। দুই উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনা হয় এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে।
তিনি বলেন, আমি আড়াই বছর আগে মন্ত্রীকে পত্র দিয়েছিলাম স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য। আমি এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পাইনি। এখানে ৭ লাখ লোক স্বাস্থ্য সেবার চিপার ভেতরে আছে। জানতে চাই এখানে নতুন স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ হবে কিনা, হলে সেটা কবে।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার জবাবে বলেন, সরকার জীর্ণশীর্ণ সব স্বাস্থ্যকেন্দ্র নতুন করে নির্মাণ করে দিচ্ছে। এই উপজেলার স্বাস্থ্য কেন্দ্র সে ধরনের হলে সরকার তা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। প্রসঙ্গত, করোনা কালের পুরো সময়টি মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর বৈঠকে সরাসরি উপস্থাপন করা হয়। দীর্ঘদিন পর আজ প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

