বরিশাল: বরিশাল নগরীর ফকিরবাড়ি রোডে হিপনোটাইজের মাধ্যমে এক নারীর সব কিছু কেড়ে নিয়েছে ছিনতাইকারীর একটি চক্র। ওই চক্রের শিকার ওই নারীর নাম জোৎস্না রানী। তিনি বেলভিউ বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কালেকশন কর্মী। এছাড়া জোৎস্না আগৈলঝাড়া এলাকার হরিশ চন্দ্র মিত্রের মেয়ে।
বুধবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ফকির বাড়ি রোড রাখাল বাবুর পুকুর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন জোৎস্না।
জ্ঞান ফেরার পর জোৎস্না জানান, বেলভিউতে চাকরির কারণে শহরের জেলে বাড়ির পুল সংলগ্ন এলাকায় একটি বাসা ভাড়ায় থাকেন। বাবা-মা গ্রামে থাকে। তিনি প্রতিদিনের মতো আজ সকালে বাসা থেকে বের হন ও হেঁটে হেঁটে অটোরিকশা স্ট্যান্ডে আসেন। এ সময় ১৬-১৮ বছরের দুই তরুণ এসে তার সাহায্য চায়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাদের কি কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন। তখন তিনি ওদের সাথে কথা বলতে বলতে ফকিরবাড়ি রোডের রাখাল বাবু পুকুর পাড়ে চলে আসেন। এ সময় ওরা তার হাতে কিছু একটা ধরিয়ে দিলে সাথে সাথে হিপনোটাইজ হয়ে যায় এবং ওরা যা যা করতে বলেছে তাই করেছে বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, আমি নিজে আমার কানের দুল, হাতের বালা, ব্যাগে থাকা নগদ এক হাজার টাকা ও স্যামসাং মোবাইল ফোন ওদের হাতে তুলে দিয়েছি। একটুও শব্দ করতে পারিনি। এরপর কি হয়েছে বলতে পারবো না। প্রায় এক ঘণ্টার মতো আমি পুকুর পাড়ে পড়েছিলাম। হুশ হলে কোনোভাবে অফিসে আসি।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আজিমুল করিম ঢাকা মেইলকে বলেন, এ ব্যাপারে এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে কঠোরভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাগো/এমআই

