স্পোর্টস ডেস্ক: ২০০৭ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে পাঠানোর আগে এক দারুণ এক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিসিবি। গোটা দলকে পাঠিয়েছিল আর্মি ট্রেনিংয়ে। মানসিক ও শারীরিকভাবে খেলোয়াড়দের আরও দৃঢ় করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছিল বিসিবি। ১৫ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আবারও আর্মি ট্রেনিংয়ে যাবেন সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমানরা।
১৫ বছর আগে আজকের তারকা সাকিব, তামিম, মুশফিকরা ছিলেন সম্ভাবনাময়ী তরুণ। তাদের আরও ক্ষুরধার করতে বিসিবির সেসময়ের প্রয়াস কাজে লেগেছিল বেশ। বাংলাদেশ হারিয়ে দেয় তারকাখচিত ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে। তবে সময়ের সঙ্গে যেন ফিকে হয়ে গেছে সেদিনের হিংস্র বাঘেদের তেজ।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে শোচনীয় হারের পর সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, ‘আমরা হলাম টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম ফিট দল, কারণ সবথেকে বেশি ফিল্ডিং করি বেশিরভাগ সময়। তো শারীরিকভাবে আমরা ফিট। মানসিক সমস্যা হয়ত অনেক বেশি, যে জায়গায় আমাদের অনেক বেশি কাজ করার আছে।’
তবে যে যাই বলুক ফিটনেসের বিবেচনায় প্রতিবেশী ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের থেকে যে বেশ পিছিয়ে টাইগাররা টেস্টের ক্লান্তিই তার সাক্ষ্য দেয়। তবে মানসিক সমস্যাও যে একেবারে কম তা নয়। এ নিয়েও আছে অনেক অভিযোগ।
টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘প্লেয়ারদেরকে বুঝতে হবে। আমাদের প্লেয়াররা মানসিকভাবে শক্তিশালী নয়, মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এমন অনেক কথাই হয়। এইজন্য আসলে এই কাজ করা। আমি ওনাদের (বাংলাদেশ আর্মি) সাথে লম্বা একটা সেশনও করেছি, আমার মনে হয়েছে ওনারা বাংলাদেশ ক্রিকেটকে অনেক ফলো করে।’
ইন্টার সার্ভিসেস সিলেকশন বোর্ড (আইএসএসবি) মনোবিদদের সঙ্গে ক্রিকেটারদের কয়েকটি সেশন করানোর কথাও ভাবছে বিসিবি। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের আগেই দু’টি সেশন করানোর পরিকল্পনা রয়েছে ক্রিকেট বোর্ডের। ক্রিকেটারদের বিস্তারিত ফাইলও পাঠানো হয়েছে মনোবিদদের কাছে।
ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির প্রধান জালাল ইউনূস বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি ওয়েস্ট যাওয়ার আগে আরেকটা সেশন করানো যায় কিনা। ওনারা রাজি আছেন। আমরা একটা তারিখ বললে ওনারা আমাদের ছেলেদের সঙ্গে বসবেন।’
জাগো/এমআই

