ঢাকা অফিস: ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণে অনেক রাজনৈতিক দলগুলোর কারচুপির শঙ্কা করলেও সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেছেন, ইভিএম সহজ প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই।
বুধবার (২৫ মে) দুপুরে নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এমন কথা বলেন তিনি।
জাফর ইকবাল বলেন, ‘টেকনিক্যাল পয়েন্ট থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ভার্চুয়ালি ম্যানুপুলেট করা অসম্ভব।’
ভোটে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন মহলের ভিন্ন মত আছে। ক্ষমতাসীনরা নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দিলেও বিএনপিসহ বিরোধীরা এর বিরোধীতা করছে।
ইলেকট্রনিক্স ভোটিং মেশিনে ভোট কারচুরি হয় দাবি করে এই মেশিনে ভোট না নেওয়ার পক্ষে মত তাদের। এমন অবস্থায় আজ ইভিএম নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে সিইসি।
বৈঠকে ইভিএমের কারিগরি বিষয়ে দক্ষতা রয়েছে এমন বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা বিষয়গুলো উত্থাপন ও আলোচনা করে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়াও অন্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক জাফর ইকবাল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম কায়কোবাদ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিন সাদ আবদুল্লাহ, ড. মো. মাহফুজুল ইসলাম, এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অলোক কুমার সাহা প্রমুখ।
বৈঠকে ড. জাফর ইকবাল বলেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) অপারেট শুরুর আগে দেখে নেওয়া সম্ভব ভেতরে কী আছে। কেউ বিশ্বাস করবে কি না সেটা তার বিষয়। আমি রাজনৈতিক দলগুলোকে বলবো, আপনারা যদি আপনাদের মতো করে নির্বাচন করতে পারেন তাহলে নতুন নির্বাচন কমিশন এই মেশিনটা ব্যবহার করেন। আপনাদেরই লাভ হবে।
জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, খুলে দেখান সার্কিটগুলো। ভেতরে আইসিগুলো যেভাবে বসানো আছে সেখানে ভেতরে ঢুকে ম্যানুপুলেট করা ভার্চুয়ালি অসম্ভব। কেউ বিশ্বাস করবে কি না সেটা তার ব্যাপার, সেটা রাজনৈতিক ব্যাপার। আমি টেকনিক্যাল জিনিসটা বলছি। টেকনিক্যাল পয়েন্ট থেকে এর ভেতরে ম্যানুপুলেট করার সম্ভাবনা নেই।
জাগো/এমআই

