টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে পাঁচ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করলেন ডিপেন্ডেবল মিস্টার মুশফিকুর রহিম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে মুশফিক অপরাজিত আছেন ৬৮ রানে।
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের মালিক কে? এমন প্রশ্নে, উত্তরটা মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিম। তবে মঙ্গলবার (১৭ মে) সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে মুশফিককে পেছনে ফেলে কিছু সময়ের জন্য সে সিংহাসনে বসেছিলেন তামিম ইকবাল। তার সামনেও ছিল রেকর্ডের হাতছানি। তবে পানি শূন্যতার কারণে হাতের পেশিতে টান লাগায় ১৩৩ রানের ইনিংস খেলে রিটায়ার্ড হার্ট হন তিনি। ৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ হতে তিনি ১৯ রান পেছনে আছেন।
এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে রেকর্ড গড়তে মুশফিকের প্রয়োজন ছিল ৬৮ রান। সেখানে তিনি ব্যাট হাতে নেমে তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২৬তম ফিফটি। ১২৪ বলে ২টি চারের সাহায্যে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এ নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে যা সাকিব আল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফিফটির মালিক হলেন মুশি। ৩১টি ফিফটি করে চূড়ায় আছেন টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল।
২০০৫ সালে ১৮ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জাতীয় দলে অভিষেক হয় মুশফিকের। এরপর টানা ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের জয়, পরাজয় কিংবা রেকর্ডের সঙ্গী এই উইকেটকিপার ব্যাটার। ২০১৬ সালে তার অধীনে ইংল্যান্ডকে প্রথবারের মতো টেস্টে হারায় বাংলাদেশ। এছাড়াও এর পরের বছরই মুশফিকের অধিনায়কত্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারায় টাইগাররা।
২৬ ফিফটির সঙ্গে সাদা পোশাকে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ৭টি। বিশ্ব ক্রিকেটে একমাত্র উইকেটকিপার ব্যাটার হিসেবে টেস্টে একের অধিক ডাবল সেঞ্চুরির মালিক একমাত্র মুশফিকই। ২০১৮ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিশতক করার মাধ্যমে ইতিহাসের প্রথম উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দুইটি দ্বিশতক করার রেকর্ড গড়েন মুশফিক। বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিন দ্বিশতক ইনিংসের মালিক একমাত্র মুশফিকই।
এদিকে চট্টগ্রাম টেস্টে চতুর্থ দিনের খেলা চলছে। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৬০। তামিম-জয়ের অনবদ্য ব্যাটিংয়ের পর বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন মুশফিক ও লিটন। লঙ্কানদের থেকে এখনো টাইগাররা পিছিয়ে ৩৭ রানে।

