জাহিদ হাসান সোহান চৌগাছা: যশোরের চৌগাছায় শুক্রবার (২২ এপ্রিল) পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিলো চোঁখে পড়ার মত।
প্রত্যেকের মধ্যে স্ব স্ব-পরিবার সদস্যদের জন্য ঈদের পোশক কেনার ধুম পড়েছে দোকানগুলোতে। পোশাকের মূল্য মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকলেও নিম্নবিত্তের মাথায় হাত।
ঈদ বস্ত্রের আকাশ ছোঁয়া মূল্য নিম্নবিত্তদের হতাশ করছে। সন্তানের মুখে হাসি ফুটাতে পোশাকের দোকানগুলোতে ঘুরছেন স্বল্প আয়ের মানুষগুলো। দিনশেষে একবুক হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন খালিহাতে।
ঈদ বস্ত্রের মূল্য নিম্নবিত্তদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে এই প্রসঙ্গে দোকানদারদের সাথে কথা বলতে চাইলে রনি গার্মেন্টসের মালিক রনি আহমেদ বলেন, আমরা মোকাম থেকে পোশাক ক্রয় করছি অন্যবারের থেকে প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে। লাভ্যাংশ রেখে বিক্রয় করতে গেলে পোষাকের মূল্য নিম্নবিত্তদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাচ্ছে।
আরেক পোষাক বিক্রেতা শাকিল বলেন, সাধারণত প্রত্যেকবার ঈদের আগে আমরা মোকাম থেকে বেশি মূল্যে পোষাক ক্রয় করি। কিন্তু মোকাম থেকে পোশাক কিনতে গিয়ে দেখেছি, প্রত্যেক পোশাকে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা মূল্য বৃদ্ধি। ক্রয় মূল্যের সাথে লাভ্যাংশ যুক্ত করে বিক্রয় করতে গেলে পোষাকের মূল্য সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাচ্ছে।
পোশাক ক্রেতা কৃষক মুজাহিদ আলীর সাথে কথা বলে জানা যায়, দুই সন্তানের জন্য ঈদ বস্ত্র ক্রয় করতে এলেও শুধু মেয়ের পোশাক নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন তিনি। এক সন্তানের পোশাক ক্রয়ের পরে অন্য সন্তানের পোশাক ক্রয় তার সাধ্যের বাইরে।
জাগো/এমআই

