নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে এক শিক্ষককে গণপিটুনি দেয়া হয়েছে। ফতুল্লায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক স্কুলশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বন্দরে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রাইভেট শিক্ষক হাসান শিপলুকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। বন্দরের ফরাজিকান্দা এলাকায় শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে।
বন্দর থানার এসআই আবুল বাশার জানান, প্রাইভেট শিক্ষক হাসান শিপলু বন্দরের ফরাজিকান্দা এলাকার শাহ আলমের ছেলে। বাসায় প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে শিপলু ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ছাত্রীটি প্রাইভেট শিক্ষকের বাসা থেকে বের হয়ে এলাকাবাসীকে বিষয়টি জানায়। পরে উত্তেজিত জনতা শিপলুকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
এদিকে, ফতুল্লায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে স্কুলশিক্ষক আরিফুল ইসলাম জনিকে (৩৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার বিকালে ফতুল্লার ইসদাইর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জনি রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার সারদা চারঘাট মিয়াপুর এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে ও ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী এলাকার রুহুল আমিন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া।
পুলিশ জানায়, জনি সস্তাপুর কমর আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের (খণ্ডকালীন) শিক্ষক। স্কুলের কাছে জামাল মিয়ার ৫ম তলা বিল্ডিংয়ের ২য় তলার একটি ফ্ল্যাটে আরিফ কেয়ার সেন্টার নামে একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে তার।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কোচিং সেন্টারের ক্লাস ছুটি হলে কোচিংয়ের সব ছাত্রীকে ছুটি দিলেও ওই ছাত্রীকে কথা আছে বলে থাকতে বলে শিক্ষক জনি। এরপর দরজা বন্ধ করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় চিৎকার শুনে আশপাশে থাকা ছাত্রীরা এগিয়ে এলে জনি তাকে ছেড়ে দেয়।

