এবাদতের ৪ উইকেট, জয়ের স্বপ্ন দেখছে টাইগাররা

আরো পড়ুন

স্পোর্টস ডেস্ক: কিউইদের উইকেট নেয়ার বেশ কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়া করেছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। এই আক্ষেপের মাঝেই এবাদত হোসেন শিকার করেছেন চারটি উইকেট। দিন শেষে নিউজিল্যান্ডের লিড ১৭ রান।

চতুর্থ দিন সকালে ব্যাট করতে নামেন ইয়াসির আলি রাব্বি ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দিনের প্রথম উইকেট হিসেবে মিরাজকে শিকার করেন টিম সাউদি। ভেঙে যায় মিরাজ-ইয়াসিরের ৭৫ রানের জুটি। টম ব্লান্ডেলের তালুবন্দী হওয়ার আগে মিরাজ করেন ৪৭ রান। তিনি খেলেন ৮৮টি বল। মিরাজের ইনিংসে ছিল ৮টি চার। ৪৪৫ রানে ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

মিরাজ ফেরার পর আর বেশি দূর এগোয়নি বাংলাদেশের ইনিংস। ৮৫ বলে ২৬ রান করা ইয়াসিরকে শিকার করেন করেন কাইল জেমিসন। তাসকিন আহমেদ ৫ রান ও শরিফুল ইসলাম ৭ রানে আউট হলে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।

মধ্যাহ্ন বিরতির আগে ১০ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। লাঞ্চের পর মাঠে ফিরেই কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় ব্ল্যাকক্যাপসরা। ল্যাথাম করেন ৩০ বলে ১৪ রান।

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান ডেভন কনওয়েকে শিকার করেন এবাদত হোসেন। স্লিপে এক দুর্দান্ত ক্যাচ নেন সাদমান ইসলাম। তবে প্রথমে বাংলাদেশের আবেদনে সাড়া না দিয়ে ‘নট আউট’ বলেন আম্পায়ার। আত্মবিশ্বাসী টাইগাররা রিভিউ নেন এবং পেয়ে যান কনওয়ের উইকেটটি। এই বাঁহাতি ব্যাটার ৪০ বলে ১৩ রান করে বিদায় নেন। ৬৩ রানে ২ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।

ব্ল্যাকক্যাপসদের আরো কয়েকটি উইকেট শিকার করতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু সহজ ভুলে টেলর ও ইয়ংকে হাত উজাড় করে সুযোগ দিয়েছেন টাইগাররা। সাদমানের হাত গলে পড়া সহজ ক্যাচ কিংবা এবাদতের সহজ রান আউটের সুযোগ মিস কেবলি বাংলাদেশের আক্ষেপ বৃদ্ধি করেছে।

অবশেষে শেষ বেলায় এসে ইয়ংকে শিকার করেন এবাদত। বোল্ড হন ইয়ং। এই ডানহাতি ব্যাটারের ব্যাট থেকে আসে ১৭২ বলে ৬৯ রান। ইয়ং ও টেলরের জুটিতে এসেছিল ৭৩ রান। এক বল পরই হেনরি নিকোলসকেও বোল্ড করেন এবাদত। একই ওভারে দুইটি উইকেট পায় বাংলাদেশ।

নিজের পরের ওভারেই টম ব্লান্ডেলকেও সাজঘরের পথ দেখান এবাদত। এলবিডব্লিউ হন ব্লান্ডেল। নির্ঘাত আউট জেনেও ব্লান্ডেল রিভিউ নেন। তবে বাঁচতে পারেননি। এবারের অগ্নিঝরা টানা দুইটি ওভারে ১৩৬ রানে ৫ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশের রাজত্বের আরো একটি দিন শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৭ রান। টেলর অপরাজিত আছেন ১০১ বলে ৩৭ রানে। তার সাথে ক্রিজে আছেন রাচিন রবীন্দ্র। তৃতীয় সেশনে ৭৯ রান সংগ্রহ করতে নিউজিল্যান্ড হারিয়ে তিনটি উইকেট। এবাদত চারটি ও তাসকিন একটি উইকেট নিয়েছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (প্রথম ইনিংস)

নিউজিল্যান্ড ৩২৮/১০ (১০৮.১ ওভার)
কনওয়ে ১২২, নিকোলস ৭৫, ইয়ং ৫২, টেলর ৩১, ল্যাথাম ১;
শরিফুল ২৬-৭-৬৯-৩, মিরাজ ৩২-৯-৮৬-৩, মুমিনুল ৪.১-০-৬-২।

বাংলাদেশ ৪৫৮/১০ (১৭৬.২ ওভার)
মুমিনুল ৮৮, লিটন ৮৬, জয় ৭৮, শান্ত ৬৪, মিরাজ ৪৭, ইয়াসির ২৬, সাদমান ২২, মুশফিক ১২;
বোল্ট ৩৫.২-১১-৮৫-৪, ওয়াগনার ৪০-৯-১০১-৩, সাউদি ৩৮-৪-১১৪-২।

নিউজিল্যান্ড ১৪৭/৫ (৬৩ ওভার)
ইয়ং ৬৯, টেলর ৩৭* ল্যাথাম ১৪, কনওয়ে ১৩;
এবাদত ১৭-৪-৩৯-৪, তাসকিন ৯-১-২২-১।

নিউজিল্যান্ডের লিড ১৭ রান।

জাগোবাংলাদেশ/এসএ

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ