দীর্ঘদিন পর আগামী ২ ফেব্রুয়ারি যশোরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওইদিন দুপুর ১২টায় যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। এই সফরকে কেন্দ্র করে যশোর জেলা বিএনপি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে শুক্রবার রাতে জেলা বিএনপির উদ্যোগে দুটি পৃথক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলা বিএনপি, অঙ্গসংগঠন এবং ধানের শীষের সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীরা অংশ নেন।
* টার্গেট: জনসভায় প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ মানুষের সমাগম ঘটানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
* জনসংযোগ: কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী, নেতাকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে তারেক রহমানের সালাম পৌঁছে দিচ্ছেন এবং জনসভাকে সফল করতে প্রচার চালাচ্ছেন।
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা
বিএনপি চেয়ারম্যানের এই সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
* পুলিশ: যশোর পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, জনসভাস্থল ও আশপাশে ৫ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।
* র্যাব: র্যাবের পক্ষ থেকে ৬০ জন সদস্যের সমন্বয়ে ৬টি বিশেষ টিম সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে।
* অন্যান্য বাহিনী: এছাড়াও সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ বিভিন্ন সংস্থার গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভাস্থল পরিদর্শন করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন।
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান যশোর সফর করে স্থানীয়দের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার ঠিক পরপরই তারেক রহমানের এই সফরকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দক্ষিণবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ জেলায় তারেক রহমান যশোরবাসীর জন্য কী নতুন বার্তা বা প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসছেন, তা নিয়েই এখন সব মহলে চলছে আলোচনা।

