যশোরে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অহনা (ছদ্মনাম) নামে এক কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে পুলিশ মামলাটি নিয়মিত হিসেবে গ্রহণ করেছে। ঘটনার পর থেকে অপহৃত ওই কিশোরীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মামলায় দুইজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন:
১. মেহেদী হাসান নাইম, পিতা: আনোয়ার সিকদার।
২. দেলোয়ার সিকদার, পিতা: কায়েম সিকদার।
উভয় আসামির বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার চর শুকতাইল গ্রামে।
মামলার বাদী আব্দুল মান্নান অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামি মেহেদী হাসান নাইম দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় নাইম তাঁর মেয়ের ক্ষতি করার পরিকল্পনা করে। গত ১৩ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই কিশোরী বাড়ি থেকে বের হয়ে পুলেরহাট শিশু জেলখানা এলাকায় পৌঁছালে ওত পেতে থাকা আসামিরা একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসে করে এসে তাকে প্রকাশ্যে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামি দেলোয়ার সিকদারের সরাসরি সহায়তায় এই অপহরণের ছক বাস্তবায়ন করা হয়। ঘটনার পর এক মাসের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিকভাবে থানায় প্রতিকার না পেয়ে বাদী নিরুপায় হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন। পরে আদালতের নির্দেশে কোতোয়ালি থানা পুলিশ মামলাটি নথিভুক্ত করে।
যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার এবং আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

