দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খুলনার কয়রা ও পাইকগাছাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার মোট ২০ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপি। রোববার রাতে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন খুলনার কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব নুরুল আমিন বাবুল ও পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল। দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গত বছর তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছিল। বহিষ্কারের পর তাঁদের অনুসারীরা বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খুলনার বাইরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কক্সবাজার, পাবনা, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, কুমিল্লা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আরও ১৮ নেতার বহিষ্কারাদেশ বাতিল করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সরাইল উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আবদুল জব্বার, সরাইল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক স্বপন মিয়া ও এম রিফাত বিন জিয়া, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর তাজ জনি, জেলা বিএনপির নারীবিষয়ক সম্পাদক নাছিমা আক্তার (বকুল), পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুকুল এবং সাবেক সদস্য সাহাব উদ্দিন সাহেদ।
এ ছাড়া সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব শেখ আবদুর রউফ, ফরিদপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসরিন পারভীন মুক্তি ও সাবেক সদস্য জিয়াউর রহমান, টাঙ্গাইলের আজহারুল ইসলাম লাবু, রৌমারীর ইমান আলী, হাতীবান্ধার মহিলা দলের আহ্বায়ক মাকতুফা ওয়াসিম (বেলী), বোদার সাবেক সদস্যসচিব লাইলী বেগম, হোমনার নাজমা হক এবং গোমস্তাপুরের আশরাফ হোসেন আলিমের বহিষ্কারাদেশও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির নেতা খন্দকার আবু সালে ইব্রাহিম গত বছরের ২২ মার্চ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছিলেন।

