যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শার্শার নাভারণের কাজীরবেড় গ্রামের একটি বাড়িতে রাখা একটি সাব-বাক্সের ভেতর থেকে মঙ্গলবার ভোরে মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নিহত ভ্যানচালকের নাম আব্দুল্লাহ (২৬), যিনি শার্শার গাতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গত ১০ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
নিহত আব্দুল্লাহর বাবা ইউনুস আলী জানান, গত ১০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে আব্দুল্লাহ জীবিকার সন্ধানে ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ছেলের সন্ধান না পেয়ে তিনি ১১ অক্টোবর শার্শা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং একই সঙ্গে ডিবি পুলিশের সহযোগিতা চান।
ডিবি পুলিশের এসআই অলোক কুমার দে’র নেতৃত্বে একটি দল এই ক্লুলেস ঘটনার তদন্ত শুরু করে। টানা তিন দিনের অভিযানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানোর পর মঙ্গলবার ভোরে কাজীরবেড় গ্রামের সুমন সরদারের বাড়ির ভেতরে থাকা সাব-বাক্স থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ইউনুস আলী ভোরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনি দাবি করেন, তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের এসআই অলোক কুমার দে জানান, আব্দুল্লাহকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। যে বাড়িতে লাশটি রাখা হয়েছিল, সেখানে হত্যাকাণ্ডের সময় কেউ ছিল না। তিনি বলেন, “কেন হত্যা করা হয়েছে এবং কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা আমরা তদন্ত করছি। তদন্তের স্বার্থে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।”

