যশোরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে প্রেমিককে অপহরণ করে মারপিটের ঘটনায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ মাহাবুর হোসেন নামে এক আসামিকে আটক করেছে। তবে, এই ঘটনায় জড়িত প্রধান অভিযুক্ত প্রেমিকা সুমাইয়া খাতুন সহ আরও পাঁচজন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আটক মাহাবুর হোসেন বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
যেভাবে ঘটল ঘটনা
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বাহাদুরপুর আল মোহাম্মদ হাউজিং প্লটের বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম স্থানীয় একটি সাইকেল গ্যারেজে কাজ করতেন। সেখানেই কাজ করার সূত্রে তার সঙ্গে আমিরুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্ক জানতে পেরে সুমাইয়ার বাবা আমিরুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হন।
গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে তরিকুল গ্যারেজে যাওয়ার পথে আসামিরা তাকে অপহরণ করে আমিরুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে আটকে রেখে নির্মমভাবে মারধর করা হয়।
বিভিন্ন লোক মারফত খবর পেয়ে তরিকুলের বাবা উজ্জ্বল হোসেন আসামিদের বাড়িতে গিয়ে তার ছেলেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মামলা ও পলাতক অভিযুক্তরা
এই ঘটনায় তরিকুলের বাবা উজ্জ্বল হোসেন প্রথমে ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে গত বুধবার কোতোয়ালি থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। পুলিশ মাহাবুর হোসেনকে আটক করতে পারলেও, এই মামলার বাকি অভিযুক্তরা এখনো অধরা।
পলাতক আসামিরা হলেন:
* আমিরুল ইসলাম (তেঁতুলতলা, বাহাদুরপুর)
* সুমাইয়া খাতুন (আমিরুলের মেয়ে)
* বিলকিস বেগম (আমিরুলের স্ত্রী)
* সাহাবুর রহমান (আব্দুস সাত্তারের ছেলে)
* নাজিম উদ্দিন (আজিজ মোল্যার ছেলে)
পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

