যশোরের দুটি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত শুনানিতে আবেদনকারী উপস্থিত ছিলেন না। সোমবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম নাসির উদ্দিন নিজেই শুনানি গ্রহণ করেন। এসময় নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শুনানিতে বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল নিজে উপস্থিত ছিলেন না, এছাড়া তার পক্ষে কেউও অংশ নেননি। শুনানির বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল ও কেশবপুর বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ। বসুন্দিয়া ইউনিয়নকে যশোর সদরে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদনের শুনানিতেও আবেদনকারী উপস্থিত ছিলেন না, তবে তার পক্ষে একজন প্রতিনিধি যুক্তি দেন।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবেদনকারীর উপস্থিতি বা বক্তব্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন, কিন্তু কেউ অংশ নেননি। অন্যদিকে, বসুন্দিয়া ইউনিয়ন সংক্রান্ত অভিযোগের বিপক্ষে বিভিন্ন যৌক্তিক অবস্থান শোনানো হয়। ভবদহ এলাকার বিষয়ে সমন্বয় সংক্রান্ত প্রস্তাবও আলোচনা করা হয়। তবে শীর্ষ কর্তৃপক্ষ কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।
শুনানিতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, চেম্বার অব কমার্সের নেতা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ অনেকজন উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ৬ আগস্ট সুকৃতি কুমার মণ্ডল প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিতভাবে যশোর-৩ ও যশোর-৬ আসনের সীমানা পরিবর্তনের আবেদন করেন। একইসাথে পুরো বসুন্দিয়া ইউনিয়ন যশোর সদরে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন জানান। আবেদন বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচি নেওয়ার হুশিয়ারি দেন স্থানীয়রা।

