চৌগাছা পশুহাট ইজারা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ: ৭১ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার

আরো পড়ুন

শোরের চৌগাছা পৌরসভার পশুহাট ইজারা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়, সর্বোচ্চ দরদাতা হয়েও ইজারা পাননি আতিউর রহমান লাল। বরং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা শহিদুল ইসলামের অনুকূলে হাটটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, ফলে সরকার ৭১ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

পৌরসভার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য আতিউর রহমান লাল ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা দরপত্র দেন, যা ছিল সর্বোচ্চ। অথচ হাটটি দেওয়া হয় শহিদুল ইসলামকে, যিনি ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা দরপত্র দিয়েছিলেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পূর্বে ২০২৪ সালেও একই সিন্ডিকেট ইজারা পেয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন পৌরসভার সাবেক মেয়র নূর উদ্দীন আলম মামুন হিমেল। ওই সময়ও ৮০ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হলেও পৌরসভা এখনও ৯ লাখ ৫৮ হাজার টাকা পায়নি।

আতিউর রহমান লাল বলেন, “পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়নি। শুনেছি, আমার টিন সার্টিফিকেট না থাকায় ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে কোনো নোটিশ পাইনি।”

মূল্যায়ন কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আতিউর রহমান লালের টিন সার্টিফিকেট না থাকায় শহিদুল ইসলামকে ইজারা দেওয়া হয়।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমিন জাহান বলেন, “আমি কিছু জানি না, মূল্যায়ন কমিটি বিষয়টি বলতে পারবে।”

এদিকে, গত শনিবার চৌগাছা হাট পরিদর্শনে যান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি শেলী। সেখানে বিএনপি নেতা গোবিন্দ কুমার রাহা বলেন, “একটি সিন্ডিকেট হাটটি ধ্বংস করার পায়তারা করছে।”

জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, “চৌগাছার একমাত্র পশুহাটের সঙ্গে অনেক মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ