যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর আবারও আটক হয়েছেন শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবীর উদ্দীন তোতা। পুলিশ দাবি করেছে, তাকে যশোরের চাঁচড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তাকে আটক করা হয় জেলগেট থেকেই।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শার্শার এক ব্যবসায়ী রিজাউল ইসলাম বাদী হয়ে তোতা ও আরও ছয় জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেফতারের পর তোতাকে আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—শার্শার টিএন্ডটি অফিস এলাকার আসাদুজ্জামান আসাদ, উত্তর বুরুজ বাগানের সোহরাব হোসেন, জাকির হোসেন, শ্যামলাগাছির শফিকুল ইসলাম মন্টু, রফিকুল ইসলাম এবং চটকাপোতা গ্রামের তোতা ওরফে চাকমা তোতা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে চেয়ারম্যান তোতার নেতৃত্বে অভিযুক্তরা শার্শা বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ীকে আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে ডেকে নিয়ে বলেন, বাজারে ব্যবসা করতে হলে প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা করে চাঁদা দিতে হবে। অন্যথায় ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না।
চাপে পড়ে ব্যবসায়ীরা মোটা অঙ্কের চাঁদা দেন—বাদী রিজাউল ইসলাম তিন লাখ, মুদি দোকানদার লিটন শেখ দেড় লাখ, ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন চার লাখ, শরীফ দেড় লাখ, ইব্রাহিম এক লাখ এবং আইনাল এক লাখ ৮৫ হাজার টাকা দেন। মোট চাঁদার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
তবে আসামিদের ভয়ে তখন কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাননি। পরে পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় রিজাউল ইসলাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

