আরো পড়ুন

কারাগারে মাদক নির্মূল রাতারাতি সম্ভব নয় উল্লেখ করে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেছেন, কারা অধিদপ্তর এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

শুক্রবার বিকেলে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, মাদক সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে কারা কর্মচারী ও বন্দীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন জেল পুলিশকে এ অভিযোগে শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে।

জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের প্রতিটি স্তরে যেভাবে সংস্কার কার্যক্রম চালাচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে কারা ব্যবস্থার উন্নয়নেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান কর্নেল কামাল।

তিনি বলেন,

“আমরা মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনের মাধ্যমে কারাগার ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করছি। বন্দীদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে ‘রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ’—এই মূলনীতিকে সামনে রেখে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান সংস্কারের মাধ্যমে শিগগিরই বন্দীদের জন্য উন্নত, মানবিক ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

১৮৭৫ সালে নির্মিত যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সম্পর্কে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বড় ধরনের কোনো সংস্কার হয়নি। এ কারাগার পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে কাঠামোগত সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে।

কারাগারের বর্তমান ব্যবস্থাপনা দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।

পরিদর্শনকালে কর্নেল মোস্তফা কামালের সঙ্গে ছিলেন—

  • সিনিয়র জেল সুপার নুরশেদ আহমেদ ভূঁইয়া
  • জেলর শরিফুল আলম
  • সহকারী সার্জন এসএম মাহবুবুর রহমান
  • ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলাইন

এসময় তিনি বন্দী ও কারারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার সমাধানে আশ্বাস প্রদান করেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ