যশোরের বাঘারপাড়ার ধলগা রাস্তা থেকে এক স্কুল শিক্ষিকাকে অপহরণ করে মারধর, সোনার গহনা ছিনতাই এবং ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার প্রাক্তন স্বামী ফিরাজুল ইসলাম ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিক্ষিকাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী রূপদিয়া এলাকার বাসিন্দা ও বাঘারপাড়া খুলশীর একটি স্কুলের কর্মরত শিক্ষিকা জানান, রোববার দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার সময় তার ৫ মাস আগে তালাকপ্রাপ্ত স্বামী জামদিয়া গ্রামের ফিরাজুল ইসলাম এবং তার বোনের স্বামী দশপাখিয়া গ্রামের বায়েজিদ হোসেন তাকে জোরপূর্বক মারধর করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে। পরে তাকে পুলু গ্রামের হোসনে আরা নামে ফিরাজুলের এক বোনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আবারও তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
তিনি আরও জানান, হামলাকারীরা তার সঙ্গে থাকা ২০ হাজার টাকা এবং সোনার গহনা ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে ফিরাজুল তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়, তবে তাতে ব্যর্থ হয়ে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তার স্বজনদের খবর দিলে ভাই গিয়ে উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, “আমরা ভুক্তভোগীর অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।”
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

