ইজিবাইক ও রিকশার অতিরিক্ত চলাচলে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে পথ চলা কঠিন হয়ে পড়েছে। ট্রাফিক পুলিশও যানজট সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।
ট্রাফিক পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঈদ উপলক্ষে ইঞ্জিনচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের সংখ্যা হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দড়াটানা, আরএন রোড, এমএম আলী রোড, মুজিব সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদগাহ মোড়, দড়াটানা মোড়, হাসপাতাল মোড়, চৌরাস্তা মোড় এবং মনিহার মোড়ে যানজটের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।
যশোর জেলা পরিবহন সংস্থা শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মো. আবু হাসান জানান, রাস্তাগুলোর তুলনায় রিকশা, ইজিবাইক ও মাহেন্দ্রের সংখ্যা অনেক বেশি। মহাসড়কে এসব যানবাহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। ফলে শহরে যানবাহনের চাপ আরও বেড়েছে।
সোমবার সকাল থেকেই শহরের দড়াটানা, ঈদগাহ মোড়, এমএম আলী রোড এবং চৌরাস্তা এলাকায় যানজটের কারণে মানুষের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। পথচারী আব্দুর রহমান জানান, ইজিবাইকে চিত্রা মোড় থেকে মনিহার আসতে এক ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। অপর পথচারী রাজিয়া বেগম ছোট বাচ্চাদের নিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়ে যানজটের কারণে ভোগান্তির শিকার হন।
যশোর ট্রাফিক পুলিশের ইনসপেক্টর মাফুজুর রহমান জানান, ঈদের কেনাকাটার জন্য মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় যানজট বাড়ছে। ট্রাফিক পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও যানজট পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে শহরের প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও অন্যান্য কর্মসূচির কারণে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, অনেক ক্রেতা রাতের বেলা কেনাকাটা করতে আসছেন যানজট এড়ানোর জন্য। তবে সরকারি ছুটির পর শহরের মানুষের চাপ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

