নিজস্ব প্রতিবেদন,
গ্রামীণ ডাক বিভাগে কর্মরত ৫৫৩ জন কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে চরম আর্থিক সংকটে দিনযাপন করছেন। অপ্রতুল বেতনের কারণে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহনীয় দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন। বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় তাদের বেতন এতটাই কম যে, তা দিয়ে তিন বেলা খাওয়া-দাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
এই বিভাগের একজন পোস্ট মাস্টার মাত্র ৪,৪৬০ টাকা, পিয়ন ৪,৩৫৪ টাকা, রানার ৪,১৭৭ টাকা এবং অফিস সহকারী (আয়া) মাত্র ৪,০৬০ টাকা বেতন পান। এই সামান্য আয়ে সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও ন্যূনতম চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। ফলে অনেক কর্মচারী ও তাদের পরিবার অভাব-অনটনে দিন কাটাচ্ছেন।
অত্যাবশ্যক সেবার দায়িত্ব, কিন্তু উপেক্ষিত অধিকার
বর্তমানে গ্রামীণ ডাক কর্মচারীরা জমির পর্চা, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জরুরি চিঠিপত্র, ভিপি ও মানি অর্ডারসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন। কিন্তু তাদের পোশাক এবং পিয়ন ও রানারদের জন্য বাইসাইকেলের মতো প্রয়োজনীয় উপকরণও সরবরাহ করা হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনাগ্রহের কারণে ডাক বিভাগের প্রায় ২৬ হাজার কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের দাবি, বর্তমান বাজারদরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম ২০,০০০ টাকা বেতন নির্ধারণ করতে হবে অথবা উপযুক্ত পে-স্কেল ঘোষণা করতে হবে।
১৫ দিনের আল্টিমেটাম, না হলে কর্মসূচি
গ্রামীণ ডাক কর্মচারীরা এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং ১৫ দিনের মধ্যে দাবি পূরণের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায়, তারা ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
জাগো/মেহেদী,

