চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ফাঁস করে দেওয়ায় শিক্ষক মাসুদ হাসানকে (২৬) নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি হুমায়ুন কবির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
হুমায়ুন কবিরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, নিহত মাসুদ হাসান ছিলেন শাহানাজ সুলতানা নামের এক গৃহবধূর বাড়িতে গৃহশিক্ষক। শাহানাজ সুলতানার সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, যা সম্প্রতি শিক্ষক মাসুদ হাসান জেনে যান এবং শাহানাজের স্বামীর পরিবারসহ স্থানীয় লোকজনের কাছে তা প্রকাশ করে দেন।
এই ঘটনার জেরে শাহানাজ সুলতানা হুমায়ুন কবিরকে চাপ দেন মাসুদকে হত্যার জন্য।
তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হুমায়ুন ও মাসুদ দুজনেই বদনপুর গ্রামের একটি ভুট্টাখেতে সেচ দেওয়ার জন্য যান। সেখানে, হুমায়ুন পিছন থেকে কোদাল দিয়ে মাসুদের মাথায় আঘাত করেন এবং মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
পুলিশ তদন্তে নেমে হুমায়ুন কবির ও শাহানাজ সুলতানাকে গ্রেফতার করেছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদালটিও উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

