তিনি বলেন, গত বছর মধুমেলায় মানুষের ভিড় বেশি ছিল। তাই এবছর দর্শনার্থীদের কথা বিবেচনা করে মেলার মাঠের সমপরিমাণ আরেকটি জায়গা ৮ লাখ টাকায় ৭ দিনের জন্য ভাড়া নেওয়া হয়েছে। এবারের মেলায় প্রায় ৩০ লাখ মানুষের সমাগম হবে বলে তিনি আশাবাদী।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাগরদাঁড়ি মধুপল্লীতে নিয়োজিত কাস্টোডিয়ান হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, মধুকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের টানে তার জন্মভূমি সাগরদাঁড়িতে দর্শনার্থীরা আসতে শুরু করেছেন। শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটির দিনে ভিড় বাড়ছে। তবে পর্যাপ্ত টয়লেট না থাকায় কিছু সমস্যা হচ্ছে। জেলা পরিষদ ও কেশবপুর উপজেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে টয়লেটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারিভাবে একটি বাংলো নির্মাণাধীন রয়েছে, যা নির্মাণ সম্পন্ন হলে এ সমস্যার সমাধান হবে।
কবির জন্মবার্ষিকী ও মধুমেলা উদ্যাপন কমিটির সদস্য সচিব এবং কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন জানিয়েছেন, কবির জন্মবার্ষিকী ও মধুমেলার সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মেলায় পর্যাপ্ত জায়গার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তিনি আশা করছেন, এবারের মেলায় লাখ লাখ দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে।

