বসবাস যশোরের বেজপাড়া বনানী রোডে। একসময় সাবেক পৌর কাউন্সিলর আলমগীর কবির সুমনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বেতনভুক্ত ক্যাডার হিসেবে পরিচিত ছিল। ৫ আগস্ট রাতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, লুটপাটসহ একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, ওই রাতে বিএনপির কর্মীরা তাকে বোমা ও অস্ত্রসহ আটক করে থানায় নিয়ে গেলে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী তাকে গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করে। এরপরও তার অপরাধের মাত্রা কমেনি।
সাগর বর্তমানে বনানী রোডের শামসুর রহমান পলাশের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকলেও মালিককে জিম্মি করে তিন-চার মাসের ভাড়া বকেয়া রেখে জোরপূর্বক অবস্থান করছে। মহল্লা সুরক্ষা কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে বাড়ি ছাড়ার জন্য চাপ দিলেও সে অনড়।
মুদি দোকানিরা অভিযোগ করেন, সাগর পণ্য বাকিতে নিয়ে টাকা না দিয়ে হুমকি দিত। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন দিবসে দোকান ও বাড়ি থেকে চাঁদা তুলত। নতুন বাড়ি নির্মাণ বা জমি কেনার ক্ষেত্রেও চাঁদা আদায় করত।
বেজপাড়ার মহল্লা সুরক্ষা কমিটির সভাপতি মো. মুনতাজ বলেন, “সাগরের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।”
এ বিষয়ে বিট পুলিশিংয়ের ইনচার্জ এসআই কামরুজ্জামান বলেন, “সাগরের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এলাকাবাসীর দাবি, সাগরের অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।

