খোলাডাঙ্গায় সন্ত্রাস ও ছিনতাইয়ের প্রতিবাদ করায় খুন হয়েছেন সজল

আরো পড়ুন

যশোর শহরতলীর খোলাডাঙ্গায় সন্ত্রাস ও ছিনতাইয়ের প্রতিবাদ করায় খুন হয়েছেন ব্যবসায়ী নেতা ও জামায়াত কর্মী আমিনুল ইসলাম সজল। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, খোলাডাঙ্গার সন্ত্রাসী খোঁড়া কামরুলের নেতৃত্বে অন্তত ১০ জন এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। তবে এখনো এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার আসরের পর খোলাডাঙ্গার সার গোডাউন এলাকার মসজিদে সজলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জামায়াতের নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম সজল খোলাডাঙ্গা গাজীর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ছিলেন। তিনি সভাপতি হওয়ার পর সন্ত্রাসী খোঁড়া কামরুলের দলকে এলাকায় অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন। কিছুদিন আগে কামরুলের সহযোগীরা এলাকায় ছিনতাই করলে সজল এর প্রতিবাদ জানান। এরই জের ধরে কামরুলের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে সজলকে ছুরিকাঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

গত সোমবার এশার নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার পথে খোলাডাঙ্গা সার গোডাউনের পেছনে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীদের আক্রমণে তিনি নিহত হন। সজল ছিলেন খোলাডাঙ্গার আজিজুল ইসলাম মিন্টুর ছেলে।

কোতয়ালি থানার ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত হত্যার ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি। নিহতের পরিবার এজাহার নিয়ে থানায় আসবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এই হত্যার দুই দিন আগে খোলাডাঙ্গায় আসাদুল ইসলাম নামে আরেক যুবক খুন হয়েছিলেন। ওই ঘটনায়ও কোনো আসামি আটক হয়নি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ