যশোরে ভাঙা সেতুর স্থানে স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি সাঁকো, স্বস্তিতে ২০ হাজার মানুষ

আরো পড়ুন

যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর ও নওয়াপাড়া ইউনিয়নের সংযোগস্থল ভৈরব নদের ডাকাতিয়া এলাকার পুরোনো সেতুটি ভেঙে পড়ায় বিপাকে পড়েছিলেন দুই ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। সেতুটি ভেঙে পড়ার এক মাস পেরিয়ে গেলেও সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান তা সংস্কারে এগিয়ে আসেনি। ফলে স্থানীয় মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে চলাচল শুরু করেছেন।

গত শুক্রবার স্থানীয় বাসিন্দারা বাঁশ কেটে এনে সাঁকো তৈরির কাজ শুরু করেন। কেউ বাঁশ কেটে আনেন, কেউ তা দু’ভাগ করেন, আর কেউবা মাটিতে গর্ত করে বাঁশ পুঁতে সাঁকো স্থাপন করেন। বাঁশের সাঁকোটির দৈর্ঘ্য ১৫ ফুট এবং প্রস্থ ৪ ফুট। বর্তমানে সাঁকোটি দিয়ে পায়ে হেঁটে এবং সাইকেল ও মোটরসাইকেল নিয়ে মানুষ চলাচল করছেন।

ইসলাম সরদার, কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য, বলেন, “ডাকাতিয়া সেতুটি কাশিমপুর ও নওয়াপাড়া ইউনিয়নের মানুষদের যশোর শহরে যাওয়ার একমাত্র সংযোগ পথ। ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছে। দ্রুত এই স্থানে নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।”

এলজিইডি যশোর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুব রহমান জানিয়েছেন, ভৈরব নদের ওপর নতুন একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

জাগো/মেহেদী

আরো পড়ুন

সর্বশেষ