বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় দানা ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করেছে এবং বর্তমানে এটি উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে ঘূর্ণিঝড়টি উড়িষ্যা উপকূলে আছড়ে পড়া শুরু করে এবং রাত ৩টার দিকে উত্তর উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করে।
শুক্রবার সকালে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১৩ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দমকা/ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তরের বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে শনিবার সকাল পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মোংলায় ঘূর্ণিঝড় দানার কোনো প্রভাব নেই। শুক্রবার ভোর থেকে সেখানে আবহাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে; আকাশে রোদ উঠেছে এবং বৃষ্টি বা ঝোড়ো বাতাস নেই। তবে মোংলা সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটতে পারে।
মোংলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি ভারত উপকূলে আছড়ে পড়ার কারণে এ অঞ্চলে আগামী দুয়েকদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার সাইফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, বৃষ্টির কারণে বুধবার বন্দরে বিদেশি জাহাজের পণ্য ওঠানামার কাজ ব্যাহত হয়েছিল, তবে শুক্রবার সকাল থেকে সবকিছু স্বাভাবিক হয়েছে।

