সাতক্ষীরা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে এর নামকরণ করা হয়েছে ‘ডানা’। উপকূলীয় এলাকায় ২ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। তিনি বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টিপাত আরও বাড়তে পারে এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারও বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় ডানা বৃহস্পতিবার রাতে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। তবে সাতক্ষীরার ঠিক কতটুকু ক্ষতি হতে পারে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ নিয়ে জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
শ্যামনগর উপজেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. শাহিনুল আলম জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ১৬২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া শুকনো খাবার মজুদ করা হয়েছে এবং দুই হাজার ৯৮০ জন সিপিপি সদস্যকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাদের মধ্যে অর্ধেক নারী ও অর্ধেক পুরুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের শ্যামনগরের কর্মরত কর্মকর্তা প্রিন্স রেজা জানান, শ্যামনগরের ৩৬০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ৬-৭টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে কাজ চলছে।