যশোরে সাম্প্রতিক সময়ে ছুরি ও চাকু ব্যবহার করে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গত আড়াই মাসে প্রায় অর্ধশত মানুষ ছুরিকাহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ করা হলেও আগ্নেয়াস্ত্রের পরিবর্তে ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।
১৫ অক্টোবরের একটি ঘটনায়, যশোর সদর এলাকার জনি হোসেন নামের এক যুবক পারিবারিক বিরোধের জেরে তার ভাইয়ের হাতে গুরুতরভাবে ছুরিকাহত হন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। একই দিনে ঝিকরগাছা উপজেলায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে তিনজন আহত হন।
এ ধরনের সহিংসতার ঘটনার সংখ্যা ক্রমাগত বাড়লেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর সন্ত্রাসী তৎপরতা কিছুটা কমে গেলেও, এখন তা পুনরায় সক্রিয় হয়েছে, এবং আগ্নেয়াস্ত্রের পরিবর্তে ছুরি-চাকু ব্যবহার শুরু হয়েছে।
সাধারণ মানুষ পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

