অন্তর্বর্তী সরকার দেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান শুরু করেছে। সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ছয় প্রভাবশালী মন্ত্রী, ৫ জন সাবেক সংসদ-সদস্য (এমপি) ও তাদের পরিবার-পরিজন এবং সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিদেশে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ) ইতোমধ্যে এই ব্যক্তিদের নামে বিদেশে চিঠি পাঠিয়ে তাদের অর্থ-সম্পদের বিস্তারিত তথ্য দাবি করেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদসহ আরও কয়েকজনের নামে বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।
গত ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের অনেক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ এবং কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ অর্থের একটি বড় অংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দেশ থেকে অর্থ পাচারের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে, গত আড়াই বছর ধরে দেশে চলমান ডলার সংকট এবং মূল্যস্ফীতির জন্য দেশ থেকে টাকা পাচারকে অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইউ) এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রাথমিক তদন্তে আলোচ্য ব্যক্তিদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল অঙ্কের অর্থ-সম্পদের সন্ধান মিলেছে। বিএফআইউ এগমন্ট গ্রুপের সহায়তায় বিদেশি দেশগুলোতে অবস্থিত বাংলাদেশিদের সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করছে। এগমন্ট গ্রুপ বিশ্বের ১৭৭টি দেশের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।


excellent post, very informative. I wonder why the other experts of this sector do not notice this. You should continue your writing. I’m sure, you’ve a huge readers’ base already!