যশোরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পদ নেতাদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। যশোরের প্রধান সমন্বয়ক দাবি করা রাশেদ খানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের একাংশের দাবিনুযায়ী, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি পালন বন্ধ করেছেন রাশেদ খান। তাদের উদ্দেশ্য সন্দেহজনক। তার চারপাশে ধান্দাবাজরা রয়েছে। তারা সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে অনেকেই ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে চাঁদা তুলছে। এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের দায় বহন করবে না ছাত্র সমাজ। প্রয়োজনে অভিযুক্তদের বয়কট করবে বলেও হুশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, আমি কখনো নিজেকে প্রধান সমন্বয়ক দাবি করিনি। একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেই মাঠে আছি। আমরা ১৪ আগস্ট ছাত্র মহাসমাবেশ করেছি। অনেক মানুষের সমাগম হয়েছে। এরপর ১৫ আগস্টের কর্মসূচি পালনের যৌক্তিতা নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আলোচনা না করেই মাসুম বিল্লাহ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ দিনের বেলায় ঢাকায়ও কর্মসূচি পালিত হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ বলেন, রাশেদ খান প্রথম থেকেই নিজেকে প্রধান সমন্বয়ক দাবি করে আসছেন। কিন্তু কেন্দ্র থেকে কোন কমিটি দেয়া হয়নি। ফলে কেউ প্রধান সমন্বয়ক, অন্যতম সমন্বয়ক, সমন্বয়ক দাবি করার সুযোগ নেই। আমরা সবাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী।
তিনি আরো বলেন, গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি, কিন্তু কর্মসূচি সম্পর্কে আমাদের অবহিত করেননি। রাশেদ খান একক সিদ্ধান্তে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি বন্ধ ঘোষণা করেছেন। খবরটি শোনার পর কেন্দ্রে যোগাযোগ করেছি, তারা স্পষ্ট বলেছেন সারাদেশে কোথাও কর্মসূচি স্থগিত করা হয়নি। কিন্তু কর্মসূচি কেন্দ্র বন্ধ হলো, তার কোন যুক্তি দেখাতে পারেননি। উল্টো আমাদের কাছে কৈফিয়ত চেয়েছে কেন কর্মসূচি দিলাম।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ, যশোর সরকারি মহিলা কলেজ ও যশোর সরকারি সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

